০১:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছয় মাসে ব্যাংক খাতে নারী কর্মী কমেছে দুই হাজার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১ বার পড়া হয়েছে

দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে নারীদের উপস্থিতি আরও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ জেন্ডার সমতা বিষয়ক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) নারী কর্মীর সংখ্যা কমেছে প্রায় দুই হাজার, যা আগের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ কম।

গত বছরের জুলাই-ডিসেম্বরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নারী কর্মীর সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৬৪৯ জন। এ বছরের জুন শেষে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ৩৫ হাজার ৭৮২ জনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে ব্যাংকগুলো আগের চেয়ে পিছিয়ে পড়েছে। শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, যাতায়াত সুবিধা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে অবনতি ঘটেছে। সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে অফিস-পরবর্তী সময়ে যাতায়াত সুবিধায়। গত বছরের শেষার্ধে যেখানে ৫২ শতাংশ নারী এ সুবিধা পেয়েছিলেন, চলতি বছরের প্রথমার্ধে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৭ শতাংশে।

নারীর অংশগ্রহণ কম: ২০২৫ সালের জুন শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট কর্মীর সংখ্যা দাঁড়ায় দুই লাখ ১৩ হাজারের বেশি। এর মধ্যে নারী কর্মী শুধু ১৭ শতাংশ, আর পুরুষ কর্মী ৮৩ শতাংশ। ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও একই অবস্থা—মোট কর্মীর মধ্যে নারী কেবল ১৭ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি পাঁচজন পুরুষ কর্মীর বিপরীতে নারী কর্মী একজনেরও কম। নারীরা মূলত প্রারম্ভিক ও মধ্যবর্তী পর্যায়ে বেশি থাকলেও উচ্চপদে তাদের উপস্থিতি খুবই কম।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছয় মাসে ব্যাংক খাতে নারী কর্মী কমেছে দুই হাজার

আপডেট সময় : ০১:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতে নারীদের উপস্থিতি আরও কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ জেন্ডার সমতা বিষয়ক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি-জুন) নারী কর্মীর সংখ্যা কমেছে প্রায় দুই হাজার, যা আগের তুলনায় প্রায় ৫ শতাংশ কম।

গত বছরের জুলাই-ডিসেম্বরে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নারী কর্মীর সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৬৪৯ জন। এ বছরের জুন শেষে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ৩৫ হাজার ৭৮২ জনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে ব্যাংকগুলো আগের চেয়ে পিছিয়ে পড়েছে। শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, যাতায়াত সুবিধা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ সূচকগুলোতে অবনতি ঘটেছে। সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে অফিস-পরবর্তী সময়ে যাতায়াত সুবিধায়। গত বছরের শেষার্ধে যেখানে ৫২ শতাংশ নারী এ সুবিধা পেয়েছিলেন, চলতি বছরের প্রথমার্ধে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩৭ শতাংশে।

নারীর অংশগ্রহণ কম: ২০২৫ সালের জুন শেষে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকে মোট কর্মীর সংখ্যা দাঁড়ায় দুই লাখ ১৩ হাজারের বেশি। এর মধ্যে নারী কর্মী শুধু ১৭ শতাংশ, আর পুরুষ কর্মী ৮৩ শতাংশ। ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও একই অবস্থা—মোট কর্মীর মধ্যে নারী কেবল ১৭ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি পাঁচজন পুরুষ কর্মীর বিপরীতে নারী কর্মী একজনেরও কম। নারীরা মূলত প্রারম্ভিক ও মধ্যবর্তী পর্যায়ে বেশি থাকলেও উচ্চপদে তাদের উপস্থিতি খুবই কম।