০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জে শীতকালীন সবজির বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত চাষিরা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১ বার পড়া হয়েছে

শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন ও বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মানিকগঞ্জের চাষিরা। জেলার ৭টি উপজেলার মধ্যে সিংগাইর, সাটুরিয়া, ঘিওর ও সদর উপজেলায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, করলা, লাউ, মুলা, শসা, পটল, লালশাক, পালংশাকসহ বিভিন্ন সবজির বীজতলা তৈরি এবং পরিচর্যায় কৃষকেরা দিন-রাত কাজ করছেন। কম খরচে বেশি লাভের আশায় আগাম জাতের সবজি চাষে ঝুঁকছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত খরিপ-২ মৌসুমে জেলায় সবজির আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬৭৬ হেক্টর। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ১৫৫ মেট্রিক টন। হেক্টরপ্রতি ফলন হয়েছিল ১ হাজার ৯৪৯ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৬ হেক্টর। এরই মধ্যে জমিতে চারা উৎপাদন ও বীজতলা তৈরিতে কৃষকেরা সক্রিয় আছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, সবজির চারা চাষে কৃষকেরা কাজের নানান পর্যায়ে নিযুক্ত আছেন। কেউ হালচাষ করছেন, কেউ সার বা কীটনাশক প্রয়োগ করছেন, কেউ পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানিকগঞ্জে শীতকালীন সবজির বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত চাষিরা

আপডেট সময় : ১০:৪৫:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শীতকালীন সবজির চারা উৎপাদন ও বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মানিকগঞ্জের চাষিরা। জেলার ৭টি উপজেলার মধ্যে সিংগাইর, সাটুরিয়া, ঘিওর ও সদর উপজেলায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, করলা, লাউ, মুলা, শসা, পটল, লালশাক, পালংশাকসহ বিভিন্ন সবজির বীজতলা তৈরি এবং পরিচর্যায় কৃষকেরা দিন-রাত কাজ করছেন। কম খরচে বেশি লাভের আশায় আগাম জাতের সবজি চাষে ঝুঁকছেন তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত খরিপ-২ মৌসুমে জেলায় সবজির আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৬৭৬ হেক্টর। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ১৫৫ মেট্রিক টন। হেক্টরপ্রতি ফলন হয়েছিল ১ হাজার ৯৪৯ মেট্রিক টন। চলতি মৌসুমে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৪৯৬ হেক্টর। এরই মধ্যে জমিতে চারা উৎপাদন ও বীজতলা তৈরিতে কৃষকেরা সক্রিয় আছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, সবজির চারা চাষে কৃষকেরা কাজের নানান পর্যায়ে নিযুক্ত আছেন। কেউ হালচাষ করছেন, কেউ সার বা কীটনাশক প্রয়োগ করছেন, কেউ পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।